
বরিশালে অবস্থিত অপসো স্যালাইন ফার্মা লিমিটেডের ৫ শতাধিক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে আন্দোলন চলছে। এর জেরে তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে কারখানার উৎপাদন। রোববার শ্রমিকেরা বলেছেন, ছাঁটাই শ্রমিকদের পুনর্বহাল না করা হলে মহাসড়ক অবরোধ করা হবে।
কারাখানা সূত্রে জানা গেছে, অপসো স্যালাইন ফার্মা লিমিটেডে প্রায় ১ হাজার শ্রমিক কর্মরত। এর মধ্যে স্টুরিপ্যাক (সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট প্রস্তুতকারক) শাখার ৫ শতাধিক শ্রমিককে গত সোমবার চার দিনের মৌখিক ছুটি দেওয়া হয়। গত বুধবার বিকেলে তাঁদের বাড়িতে চাকরিচ্যুতির নোটিশ পৌঁছায়। এতে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা পরদিন বৃহস্পতিবার কারখানায় গিয়ে বিক্ষোভ করেন। কারখানার আইভি ফ্লুইট (স্যালাইন প্রস্তুতকরণ) শাখার শ্রমিকেরাও কাজে না গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন। ফলে পুরো কারখানা অচল হয়ে পড়ে।
চাকরিচ্যুতির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কোম্পানির নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কারণে স্টুরিপ্যাক শাখার উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে না।’ শ্রমিকদের পাওনা আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। শ্রমিকেরা বলেছেন, এর অর্থ হচ্ছে স্টুরিপ্যাক শাখাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে শনিবার রাত ৮টার দিকে আন্দোলনরত শ্রমিকেরা চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালে ৭২ ঘণ্টা আল্টিমেটাম দেন। তবে এতে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার সকালে তাঁরা কারখানার প্রধান ফটকের সামনে বগুড়া সড়কে শামিয়ানা টানিয়ে অবস্থান নেন। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁরা কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে সেখান থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, আগামীকাল সোমবারও তাঁরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। সে সঙ্গে আলটিমেটামের সীমা পেরিয়ে গেলে মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
অপসো স্যালাইন শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রাকিব মিয়া বলেন, শনিবার বিকেলের সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের স্থানীয় নেতারা বক্তৃতা করেছেন। চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের সেই সমাবেশে মালিকপক্ষকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কারখানার সামনে অবস্থান ধর্মঘট চলছে। তবে এ পর্যন্ত মালিকপক্ষের কেউ যোগাযোগ করেননি। আলটিমেটাম শেষে মহাসড়ক অবরোধের মতো কঠিন কর্মসূচিতে যাওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে