দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের মীর্জার মাঠে অবস্থিত প্রায় ২৬০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক নিদর্শন আওকরা মসজিদটি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বাংলা ১১৭২ সনে (১৭৬৬ সালে) মীর্জা লাল বেগ চিকন ইটে নির্মাণ করেছিলেন এই মসজিদ। নকশা করা অনন্য স্থাপত্যশৈলীর এই মসজিদটির দেয়ালে এখন বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ২০১৮ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত হলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়রা ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করলেও ঝুঁকি রয়েই গেছে। কথিত আছে, একসময় মসজিদের ভেতরে কথা বললে প্রতিধ্বনি হতো, তাই নাম হয় ‘আওকরা’ মসজিদ। স্থানীয়দের দাবি, সংস্কার করা হলে শুধু ধর্মীয় স্থানই নয়, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এটি পর্যটক আকর্ষণেও পরিণত হবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দ্রুত সংস্কারে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে ।
তথ্য ও ছবি: এস এম রকি, দিনাজপুর (খানসামা)

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
২ দিন আগে
সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো।
৪ দিন আগে
মোহাম্মদ সুলতান ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একুশের প্রথম সংকলনের প্রকাশক। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যেকোনো মূল্যে ১৪৪ ধারা ভাঙতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাত ১টায় ফজলুল হক হল ও ঢাকা হলের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এক বৈঠকে মিলিত হই।
৯ দিন আগে
২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১০ দিন আগে