জ্বালানি সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা জ্বালানি-তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সরবরাহ ঘাটতি, বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংকট আরও জটিল হচ্ছে। এই পেজে আপনি জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত সর্বশেষ খবর, কারণ, প্রভাব এবং সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে আপডেট তথ্য পাবেন।

ইরানে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ১৯৭০-এর দশকের দুই দফা তেল সংকট এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের সম্মিলিত প্রভাবের সমতুল্য। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা বেশিও। এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ বহুপক্ষীয় সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি বা ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা প্রতি বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। এর ফলে দেশটিতে আপাতত সাপ্তাহিক ছুটি দাঁড়াচ্ছে তিন দিন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আইইএ জানিয়েছে, প্রতিটি সদস্য দেশ তাদের নিজ নিজ জাতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটি ‘উপযুক্ত সময়সীমার’ মধ্যে এই জরুরি মজুত বাজারে ছাড়বে। উল্লেখ্য, এটি আইইএ-এর ইতিহাসে ষষ্ঠবারের মতো সমন্বিতভাবে তেলের মজুত ছাড়ার ঘটনা। এর আগে ১৯৯১, ২০০৫, ২০১১ এবং ২০২২ সালে (দুইবার) এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।