
নগদের বদলে কার্ডে ঝোঁক বাড়ছে মানুষের। দৈনন্দিন খরচ, ভ্রমণ ও অনলাইন কেনাকাটায় ক্রেডিট কার্ড এখন ক্রমেই স্বাভাবিক মাধ্যম হয়ে উঠছে। তবে এই প্রবণতার মাঝেই সাম্প্রতিক সময়ে এই লেনদেনে হঠাৎ কিছুটা ধীরগতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারির তুলনায়...

ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা প্রায় দ্বিগুণ করে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে এ ধরনের ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ শতাংশ। আগে গ্রাহকেরা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে জামানত ছাড়া সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা পেতেন।

দেশের ভেতরে ও বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই আর্থিক খাতে নগদ লেনদেন ক্রমেই কমে আসছে; তার জায়গা দখল করছে প্লাস্টিক মানি। অভ্যন্তরীণ পেমেন্ট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সফর, অনলাইন কেনাকাটা, ব্যবসায়িক খরচ কিংবা জীবনযাত্রার প্রয়োজন—সব ক্ষেত্রেই এখন ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে লেনদেন বাড়ছে।

মেট্রোরেলের স্থায়ী কার্ড ‘র্যাপিড পাস’ এবং ‘এমআরটি পাস’ রিচার্জ করতে এখন থেকে আর স্টেশনে যেতে হবে না। আজ মঙ্গলবার থেকে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই কার্ডগুলোতে টাকা রিচার্জ করা যাবে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব ধরনের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।