
কৃষকদের ভাষ্য, এ বছর প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বীজ, সার, সেচ ও কীটনাশকে ব্যয় বেড়েছে। অথচ জাতভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৭ টাকা কেজিতে। হিমাগারের ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় সংরক্ষণ নিয়েও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। এই নিয়ে আনন্দের কমতি ছিল না কৃষকদের মধ্যে। তবে বাজারে দামে ধস নেমেছে। উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, তুলনামূলক কম দামেও আলু বিক্রি করতে পারছেন না কৃষকেরা। অনেক এলাকায় ৬০ কেজির এক বস্তা আলু ২০০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে না।

যশোরের ঝিকরগাছায় চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও মুখে হাসি নেই কৃষকের। তাঁরা বলছেন, পাইকারি বাজারে আলুর দাম কম হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন তাঁরা। বিঘাপ্রতি আলু চাষে ৫-৭ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে তাঁদের।

জার্মানিতে একটি প্রচলিত প্রবাদ আছে—‘জার্মানরা আলু ভালোবাসে।’ পরিসংখ্যানও বলছে, গড়ে একজন জার্মান বছরে ৬৩ কেজি আলু খান। কিন্তু এবারের ফলন সেই ভালোবাসার সীমাও ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ফলন হওয়ায় বার্লিনে শুরু হয়েছে কার্টফেল-ফ্লুট বা আলুর বন্যা।