ব্রাজিলের দলে সব সময়ই প্রতিভার ছড়াছড়ি। এবারও এর কমতি নেই। এই দলটা এসেছেই বিশ্বকাপ জয়ের জন্য। সবার মতো আমিও চাই ব্রাজিলের শিরোপা-খরা এবার কাটুক। শুধু শিরোপা নয়, আমার চাওয়া ব্রাজিল তার সমর্থকদের বিনোদন দিক।
ব্রাজিলের মানুষ মনের দিক থেকে ভীষণ শক্ত। তারা ২০ বছর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে আছে আরেকটি শিরোপার জন্য। সব অপেক্ষারই একটা শেষ আছে। এই মানুষদের কথা ভেবে হলেও নেইমারদের এবারের বিশ্বকাপটা জেতা উচিত।
এবার দলের সবাই আছে দুর্দান্ত ফর্মে। বিশেষ করে আমাদের আক্রমণভাগটা অসাধারণ। রাফিনহা, রিচার্লিসন, নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়ররা নিজ নিজ ক্লাবের নির্ভরযোগ্য ফুটবলার।
প্রতিপক্ষের জন্য এমন একটা ফরোয়ার্ড লাইন ভীষণ চ্যালেঞ্জের। তবে ব্রাজিলের নিজেরও চ্যালেঞ্জ আছে। আর সেই চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বকাপ জয়।
এবারের বিশ্বকাপটা বিশেষ হতে পারে নেইমারের জন্য। অনেকটা সময় সে মেসি-রোনালদোর ছায়ায় ঢাকা পড়েছিল। এখন সে নিজের আলোয় আলোকিত। তাকে কিংবদন্তিদের কাতারে জায়গা করে দিতে পারে একটা বিশ্বকাপ জয়। এবারের বিশ্বকাপটা তার শেষ বিশ্বকাপ বলা হচ্ছে। আর সে সেরা ছন্দেই আছে। যেহেতু শেষ বিশ্বকাপ, খানিকটা ধৈর্য ধরে তাকে সেরা খেলাটাই খেলে জিততে হবে। দলে মেধাবী ফুটবলার থাকতে পারে, নেইমারকে মাথায় রাখতে হবে এই দলটা এরপরও তার ওপর নির্ভরশীল। তাদের কথা চিন্তা করে হলেও খেলতে হবে। তাকে সহায়তা করতে থিয়াগো সিলভা, দানি আলভেজ, মারকুইনোসের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা থাকছেই।
আমাদের দল এবার এতটাই শক্তিশালী যে বিশ্বকাপ জয়ের পক্ষে অবশ্যই আমার বাজি। আমি আসলে ব্রাজিল ছাড়া আর কারও হাতে শিরোপা দেখছি না। এবারের দলটা এতটাই পরিপূর্ণ যে এদের হাতে শিরোপা না উঠলে ফুটবলের প্রতি অন্যায় হবে। নিজের দেশ বলে নয়, ব্রাজিল এমনিতেই সবার বাজির ঘোড়া। ফাইনালে আমি ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হিসেবে ফ্রান্সকে দেখছি। এটা সত্যি, ফ্রান্সের দলে এবার অনেক চোট-সমস্যা আছে। গ্রুপ পর্ব থেকেই এবার তারা বাদ পড়ে যাবে, এমন কথাও শোনা গেছে। আমার এটা একেবারেই মনে হয় না। তাদের দলে ম্যাচ জেতাতে অনেক খেলোয়াড় আছে। আমরা ব্রাজিলিয়ানরা চাইব ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জিততে।
নিজের একটা দুঃখের কথাও বলতে চাই। বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল খেলা চলছে। খুব হইচই করে নিজের দলের খেলা দেখার সুযোগ হয়তো কমই পাব। খেলা দেখি বা না দেখি, নিজের দেশকে সব সময়ই সমর্থন দিয়ে যাব।

প্রথমবার নারী এশিয়ান কাপে খেলা বাংলাদেশ একের পর এক গোল হজম করছে। চীনের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের পর আজ উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে হজম করেছে ৫ গোল। এখন পর্যন্ত একটা গোলও করতে পারেনি পিটার বাটলারের দল। তবু হতাশ নন বাটলার। বরং শিষ্যদের নিয়ে গর্ব অনুভব করছেন বাংলাদেশ কোচ।
২৭ মিনিট আগে
নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে পূর্ণ তিন আশা করেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। তবে দলের সে আশা পূরণ হয়নি। দুবার এগিয়ে গিয়েও জিততে পারেনি পেপ গার্দিওলার দল; ড্র করেছে ২-২ গোলে। তাতে এক ম্যাচ বেশি খেলা আর্সেনালের সঙ্গে সিটির পয়েন্টের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৭। ৩০ ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে আর্সেনাল।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের মার্চে ভারতের বিপক্ষে অভিষেকের পর থেকে মুগ্ধতা ছড়িয়ে চলেছেন হামজা চৌধুরী। হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ ফুটবলের প্রাণভোমরা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর চোট দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর। তবে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে নিয়ে সুখবর দিয়েছেন জামাল ভূঁইয়া।
২ ঘণ্টা আগে
চীনের চেয়ে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বেশি গোল হজম করেছেন মিলি আক্তার। কিন্তু প্রচেষ্টায় কোনো কমতি ছিল না। গ্লাভস হাতে আজ আবারও জাত চিনিয়ে নিজেকে তুলে ধরেছেন দলের সেরা পারফর্মার হিসেবে। তাই ৫ গোল হজম করেও তাঁর ওপর কোনো ধরনের অসন্তুষ্টি নেই বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলারের।
৩ ঘণ্টা আগে