৭০’ বক্সের মাঝখান থেকে হং সং-ওকের শটটি রুখে দিয়ে আবারও দক্ষতা দেখালেন মিলি আক্তার।
৬৪’ কোরিয়াকে কোনোভাবেই আটকে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ। বক্সের ডান প্রান্ত গিয়ে কিম হাই-ইয়ংয়ের শটটি সরাসরি জালে জড়ালে আবারও গোলের দেখা পায় কোরিয়া। এগিয়ে গেল ৪-০ গোলে।
৬২’ কিছুক্ষণ আগে দারুণ সেভ করার পরই ভুল করে বসলেন মিলি আক্তার। পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এলেন তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করলেন না চ্যা উন ইয়ং।
৫৬’ বাংলাদেশ একাদশে পরিবর্তন। নবীরণ খাতুনের জায়গায় নেমেছেন উন্নতি খাতুন।
৫২’ বক্সের মাঝখান থেকে চো ইল সনের বাঁ পায়ের শটটি সরাসরি গোলের মাঝ বরাবর ছিল। দুর্দান্ত সেভে তা ফিরিয়ে দেন মিলি আক্তার। যদিও তা গোল হলেও লাভ হতো না কোরিয়ার। আগেই অফসাইডের পতাকা ওঠানো থাকে।
৪৬’ বিরতির পর শুরু হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা।

৪৫+৭’ প্রথম গোল হজম করতে না করতেই বিপদ বাড়াল বাংলাদেশ। চ্যা উন ইয়ংয়ের পাস থেকে বক্সের ডান প্রান্ত দিয়ে জোরাল শটে লক্ষ্যভেদ করলেন কিম কিয়ং-ইয়ং। তাতে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কোরিয়া। প্রথমার্ধ শেষে তাই ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকল বাংলাদেশ।
৪৫+৫’ গোল! পেনাল্টি থেকে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করলেন মিয়ং ইউ-জং। বলটি পোস্টের নিচের ডান কোনা দিয়ে জালে জড়ালে এগিয়ে যায় উত্তর কোরিয়া। ডি-বক্সের ভেতর হং সং-ওককে টেনে ফেলে দিলে হলুদ কার্ড দেখেন বাংলাদেশ অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার। সেই সঙ্গে পেনাল্টিরও বাঁশি বাজান রেফারি।
৪৫’ প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে একযোগে তিন পরিবর্তন এনেছেন বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার। মাঠে নামেন স্বপ্না রানী, আনিকা রানিয়া ও উমেহলা মারমা। তুলে নেওয়া হয়েছে তহুরা খাতুন, আইরিন খাতুন ও শামসুন্নাহার জুনিয়রকে। যোগ করা সময়ের ৬ মিনিটের খেলা চলছে।
৪৪’ লক্ষ্যভ্রষ্ট শট। বক্সের বাইরে থেকে মিয়ং ইউ-জংয়ের (উত্তর কোরিয়া) ডান পায়ের শটটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
৪৩’ শামসুন্নাহার জুনিয়রের পর ফাউলের কারণে এবার হলুদ কার্ড দেখলেন নবীরণ খাতুন।
৩৮’ কিয়ং ইয়ংয়ের হেড থেকে এবার বাংলাদেশকে বাঁচাল গোলবার। কোরিয়ার হতাশা বাড়ছেই।

৩৩’ ম্যাচের ৩০ মিনিটে কিয়ং ইয়ংয়ের কাছ থেকে আবারও গোলের দেখা পায় কোরিয়া। কিন্তু লাইন্সম্যান আগেই উঠিয়ে রাখেন অফসাইডের পতাকা। ভিএআরে চেক করেও লাভ হয়নি।
২৮’ কর্নার থেকে আসা বলে অত্যন্ত কাছ থেকে বাম পায়ের শটে বল জালে জড়ালেন হান জিন-হং (উত্তর কোরিয়া)। বলটি গোলপোস্টের নিচের বাঁ কোণ দিয়ে ভেতরে ঢুকে যায়। কিন্তু বল মিলি আক্তারের নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় জোর করে শট মারেন জিন হং। তাই ভিএআরে বাতিল হয় গোল।
১৬’ বিপদ আসবে আসবে করার পর এসেই গিয়েছিল । কিয়ং ইয়ংয়ের পা থেকে ১৪ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিল উত্তর কোরিয়া। তবে কিয়ং ইয়ং বল পাওয়ার আগে বক্সের ভেতরে হাতে বল লাগে কিম সং গিয়ংয়ের। যা ভিএআরে চোখে পড়ে। তাই গোল বাতিল করেন রেফারি। চীন ম্যাচেও প্রথম গোল বাতিল হয়েছিল ভিএআরের কারণে।
১১’ কোরিয়ার তৈরি করা ছোট ছোট বিপদগুলো বেশ দক্ষতার সঙ্গেই সামলাচ্ছেন মিলি আক্তার। মনে করিয়ে দিচ্ছেন চীন ম্যাচের কথা।
৮’ দারুণ একটি সেভের পর ব্যথায় কাতড়াচ্ছিলেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিলি আক্তার। তবে দুই মিনিট পরই সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি।
চীন ম্যাচের মতো উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ব্যাকলাইনে ৫ জন রেখেই ছক কষেছেন বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার। মিডফিল্ডে চারজন রেখে ওপরে রাখা হয়েছে শুধু তহুরা খাতুনকে।
১’ বাঁশি বাজালেন রেফারি। শুরু হলো ম্যাচ, আক্রমণে বাংলাদেশ।

চীনের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে আজ শুরুর একাদশে দুই পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার শিউলি আজিম ও ফরোয়ার্ড উমেহলা মারমার জায়গা খেলছেন তহুরা খাতুন ও আইরিন খাতুন।
বাংলাদেশ একাদশ:
গোলরক্ষক: মিলি আক্তার।
ডিফেন্ডার: আফঈদা খন্দকার (অধিনায়ক), নবীরণ খাতুন, কোহাতি কিসকু, শামসুন্নাহার সিনিয়র।
মিডফিল্ডার: মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, ঋতুপর্ণা চাকমা, আইরিন খাতুন।
ফরোয়ার্ড: তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র।
আজকের পত্রিকার লাইভে আপনাকে স্বাগত। নারী এশিয়ান কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে সকাল ৮টায় উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২-০ গোলে হারলেও সাহসী ফুটবলে নজর কেড়েছিলেন ঋতুপর্ণা–আফঈদারা। আজও কি তেমন কিছু উপহার দিতে পারবেন?