
মিরপুরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতিতে শুরু থেকেই ছিলেন ব্যাটার সৌম্য সরকার। আজও শুরু থেকে ব্যাট করছিলেন। মাঝ উইকেটের পাশের উন্মুক্ত নেটে বোলিং করেন বাঁহাতি পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। মৃত্যুঞ্জয়ের বাউন্সার সামলাতে গিয়ে ডান আঙ্গুলে বল লাগে এই বাঁহাতি ওপেনারের। চোটের তীব্রতায় ব্যাট ছুড়ে সোজা উইকেটের অন্যপ্রান্তে গিয়ে মাটিতে বসে পড়েন সৌম্য।
ড্রেসিংরুম থেকে ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম দ্রুত ছুটে এসে সৌম্যকে মাঠের বাইরে নিয়ে যান। সৌম্য চোট পাওয়ায় কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনও এগিয়ে যান। পরে আঙুলে ব্যথানাশক স্প্রে দিয়ে তাঁকে (সৌম্য) নিয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান ফিজিও।
এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেন্ট ভিনসেন্টে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ক্যাচ ধরতে গিয়ে ডান হাতের তর্জনীতে চোট পেয়েছিলেন সৌম্য। এরপর এক মাসের বেশি সময় মাঠের বাইরে ছিলেন। বিপিএলে শুরু থেকে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলেননি। বিসিবির মেডিকেল বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছিল, চোটের কারণে তাঁকে তিন থেকে চার সপ্তাহের মতো খেলার বাইরে থাকতে হতে পারে।
চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরে সৌম্য বিপিএলে প্লে–অফে এলিমিনেটরসহ চার ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, বলটি তাঁর ডান হাতের পুরোনো চোটের জায়গায় লেগেছিল। গ্লাভস পরা সত্ত্বেও আঘাতটি ছিল যথেষ্ট তীব্র। বিসিবির মেডিকেল বিভাগ বলছে, প্রাথমিকভাবে ব্যথানাশক দেওয়া হয়েছে। যদি ব্যথা গুরুতর মনে হয়, তবে এমআরআই করা হবে।

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
২৪ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে