অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু বা ইউএফও সংক্রান্ত ঘটনা অনুসন্ধানে ১৬ বিজ্ঞানীকে নিয়ে বহু প্রতীক্ষিত স্বতন্ত্র গবেষক দল গঠন করছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা।
এক বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছে, এই বিজ্ঞানী দল নাসার গবেষণা সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করবে। এবিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন আগামী বছর প্রকাশ করা হবে।
আজ সোমবার থেকেই অনুসন্ধান শুরু করবে গবেষকদের দল। পূর্ববর্তী তথ্য উপাত্ত পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য তাঁরা ৯ মাসের মত সময় পাবেন। তা থেকে ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য উপাত্ত বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া নির্ণয় করা হবে।
এ বিষয়ে নাসার সহযোগী প্রশাসক থমাস যুরবুখেন এক বিবৃতিতে বলেন, বায়ুমণ্ডলের মধ্যে ও মহাশূন্যের অজানাকে জানার চেষ্টা নাসাকে স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে।
‘এ পর্যন্ত ইউএফও বা মহাজাগতিক অজানা ঘটনাগুলো নিয়ে আমাদের কাছে যেসব তথ্য আছে তা এই গবেষক দলের জন্য বেশ কার্যকরী হবে বলে ধারণা করছি।’
গবেষক দলটিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বিজ্ঞানীসহ মহাকাশ গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা আছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
জুন থেকে এই গবেষণা চালু হয়েছে। ইউএফও বা ওই জাতীয় মহাজাগতিক গবেষণা আকাশপথে ও সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বলে নাসা জানিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি শেষ হতে আর দুদিন। এ মাসে মহাজাগতিক কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। তবে সেসব ঘটনা যদি কেউ প্রত্যক্ষ না করে থাকেন, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। মহাকাশ, গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে, তাদের জন্য কিছু চমকপ্রদ মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ নিয়ে আসছে আগামী মার্চ মাস।
৪ দিন আগে
শুষ্ক বাতাস থেকেও পানি সংগ্রহ করতে সক্ষম—এমন নতুন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন নোবেলজয়ী রসায়নবিদ অধ্যাপক ওমর ইয়াগি। হারিকেন বা খরায় যখন পানি সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, তখন এই প্রযুক্তি ঝুঁকিপূর্ণ দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জন্য জীবনরক্ষাকারী হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৭ দিন আগে
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নথিপত্র থেকে এবার সামনে এলো ডিএনএ-র গঠনের সহ-আবিষ্কারক নোবেলজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসনের নাম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, এপস্টেইনের নিউইয়র্ক ম্যানশনে তিন তরুণীর সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় রয়েছেন এই বিজ্ঞ
১২ দিন আগে
বাংলাদেশে ভাইরাসবাহিত রহস্যজনক এক রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুরুতে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বলে মনে করা হলেও, এটি আসলে আরেকটি নতুন ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাসের কারণে হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের....
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬