নাসার তথ্য অনুযায়ী, যখন মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’ চাঁদের পাশ দিয়ে যাবে, তখন এর মাত্র ২০ শতাংশ সূর্যের আলোয় আলোকিত থাকবে। যদিও বিজ্ঞানীরা আরও বেশি অংশ দেখার আশা করেছিলেন, তবু এই অল্প আলোতেই বেশ কিছু রোমাঞ্চকর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য দেখার অপেক্ষায় আছেন নভোচারীরা।
বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধানের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ৯৩০ কিলোমিটার চওড়া এক বিশাল গর্ত দেখা; যার নাম ওরিয়েন্টাল বেসিন। প্রায় ৪০০ কোটি বছর আগে এক বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে এটি তৈরি হয়েছিল। তিনটি বলয় বা রিং বেষ্টিত এই বেসিন দেখতে অনেকটা লক্ষ্যভেদী ‘বুলস আই’-এর মতো। সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহে কীভাবে গ্রহাণুর আঘাতে গর্ত তৈরি হয়, তা বোঝার জন্য এটি আদর্শ উদাহরণ। নভোচারীরা প্রথমবারের মতো সরাসরি সূর্যের আলোয় দেখবেন ৬৪ কিলোমিটার চওড়া ‘ওম’ ক্রেটার, যার নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত পদার্থবিদ জর্জ ওমের নামে। এ ছাড়া তাঁরা দেখবেন ইতালীয় বিজ্ঞানী এলিসাবেটা পিয়াজ্জোর স্মরণে নামাঙ্কিত ‘পিয়াজ্জো’ ক্রেটারটিও।
আর্টেমিস ২ মিশনের প্রধান চাঁদ বিশেষজ্ঞ কেলসি ইয়াং বলেন, রোবোটিক প্রোব বা মহাকাশযান এর আগে অনেক ছবি পাঠালেও মানুষের চোখে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করার গুরুত্ব বেশি। নভোচারীরা চাঁদের উপরিভাগের রঙের সূক্ষ্ম পরিবর্তন, উজ্জ্বলতা এবং আলো-ছায়ার খেলার মাধ্যমে এর ভূপ্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করবেন।

পুরুষদের চুল পড়া বা টাক পড়া (অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া) সমস্যার চিকিৎসায় ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি উদ্ভিদের শিকড় অত্যন্ত কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই আবিষ্কারটি প্রাচীন চিকিৎসাবিদ্যা ও আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।
৪ দিন আগে
সৌরজগৎকে সাধারণত মানব সভ্যতার অন্যতম স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামো হিসেবে দেখা হয়। পৃথিবীতে যাই ঘটুক না কেন, গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট নিয়মে পরিক্রমা করে চলেছে এবং আকাশে একটি সুশৃঙ্খল বিন্যাস তৈরি করছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগতের অতীত হয়তো এতটা শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল না।
৮ দিন আগে
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) রুশ অংশে নতুন করে এয়ার (বাতাস) লিক বা ছিদ্র শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাঁচ মহাকাশচারীকে একটি মহাকাশযানে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা...
৯ দিন আগে
প্রায় ৫ হাজার ৩০০ বছর আগে মারা যাওয়া বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত মানব মমি ওৎজি দ্য আইসম্যানের দেহে আজও কিছু অণুজীব সক্রিয় থাকতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, তাঁর শরীরে পাওয়া কিছু জীবাণু সম্ভবত মমিটির মতোই প্রাচীন। আবার কিছু জীবাণু বর্তমান সংরক্ষণাগারের
১২ দিন আগে