
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচিত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নির্বাচনী সমঝোতার অভিযোগ তুলে পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, নির্বাচনী বাঁটোয়ারা মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করুন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এই সমালোচনা করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘নির্বাচনী বাঁটোয়ারা মেনে নিয়ে এখন বিরোধিতার নাটক করা বন্ধ করেন। বাঁটোয়ারা করে দেয়া আর মেনে নেয়ারা একদিকে, আর জনগণ অন্যদিকে।’
ছাত্রদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাবেক এই উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘দুঃখ লাগে, ছাত্রদের জন্য। কত কম দামে তাদেরকে বিক্রি করে দিল!’
মাহফুজ আলম আরও লিখেছেন, ‘জনগণের ন্যায্য লড়াই এখন এরা হাপুস করে দিবে পিআর ক্যাম্পেইন আর মিডিয়া ম্যানিপুলেশনের দৌলতে। আল্লাহ এ দেশের জনগণকে রক্ষা করুন।’
মাহফুজ আলমের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি করেছে। তবে তাঁর মন্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলোর তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১২ ঘণ্টা আগে