
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শিক্ষা ও গবেষণা সেল।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে- এমন তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও শিক্ষা ও গবেষণা সেলের সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি করা এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিক্ষকদের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া নেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অতীতে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী এবং পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন ব্যক্তিরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের নজির স্থাপন করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিরা শিক্ষকদের ওপর অযাচিত প্রভাব বিস্তার করেছেন, যারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বা শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণাও রাখেন না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে। এ কারণে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি এবং শিক্ষানুরাগী সমাজের মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই উদ্যোগটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, নবনির্বাচিত সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রত্যাশা ছিল পূর্ববর্তী ইতিবাচক সংস্কারগুলোকে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষাব্যবস্থার সংকটসমূহ সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক এই উদ্যোগে একটি পশ্চাৎমুখী প্রবণতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে এনসিপি।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে দেখতে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান জামায়াত আমির।
৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন গুরুতরভাবে আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আমরা অনুরোধ করেছিলাম যে এই সংসদে যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল, যারা খুনের সহযোগী ছিল, তারা কেউ যেন এখানে কোনো বক্তব্য রাখতে না পারে। এই রাষ্ট্রপতি তিন কারণে অপরাধী, তাঁর বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না।’
১১ ঘণ্টা আগে
এ সময় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিন শব্দের একটি পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘Get out Chuppu.’
১১ ঘণ্টা আগে