
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ঢাকায় পথসভা শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ঢাকায় অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ এবং রাস্তা প্রশস্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে পথসভা করার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। ঢাকাসহ সারা দেশকে বাসযোগ্য ও নিরাপদ করার প্রতিশ্রুতি দেন এই পথসভায়।
বক্তৃতার শুরুতে নিজেকে ‘এলাকার সন্তান’ উল্লেখ করে ঢাকা–১৭ আসনে তাঁকে জয়যুক্ত করতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
পথসভায় তিনি বলেন, ‘প্রিয় এলাকাবাসী কেমন আছেন? আমি এই এলাকারই সন্তান। এই এলাকাতেই বড় হয়েছি। এলাকার সন্তান হিসেবে আজ আমি ধানের শীষের জন্য ভোট চাচ্ছি। আপনারা ধানের শীষকে ভোট দিলে বিএনপি জয়ী হলে ঢাকা শহরসহ সমগ্র দেশকে নিরাপদ করতে চাই। যাতে নিরাপদে মানুষ চলাচল করতে পারে, ঢাকায় যাতে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পাবে, সেই ব্যবস্থা করা হবে।’
এ সময় ঢাকায় ৪০টি খেলার মাঠ করারও প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠন করলে সমগ্র ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ করব। এ ছাড়া ইসিবি চত্বর থেকে জসিম উদ্দিন পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত করব।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৩ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে