
বিএনপি ক্ষমতায় এলে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে কর্মসংস্থানের হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। এর আগে ১২টা ২০ মিনিটে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছে মঞ্চে ওঠার আগে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে করমর্দনের মাধ্যমে কুশল বিনিময় করেন।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি—চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। কিন্তু গত ৫৫ বছরেও এই দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী হলে শুধু এই অঞ্চলের মানুষ নয়, পুরো বাংলাদেশই উপকৃত হবে।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
বক্তব্যের শুরুতে চট্টগ্রামের সঙ্গে নিজের পারিবারিক আবেগের কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এই চট্টগ্রাম আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত শহর। এখান থেকেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাই এই চট্টগ্রাম আমার কাছে অত্যন্ত আবেগের জায়গা।’

সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন থানা এলাকা ও আশপাশের উপজেলা থেকে দলে দলে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা পলোগ্রাউন্ড মাঠে জড়ো হতে থাকেন। মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়ক, ফুটপাত ও খোলা জায়গাজুড়ে অবস্থান নেন তাঁরা। হাতে দলীয় পতাকা ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
জনসমাগম সমাবেশস্থল ছাড়িয়ে টাইগার পাস, সিআরবি ও আমতল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আয়োজকদের দাবি, মাঠের ভেতর ও বাইরে মিলিয়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নেতা-কর্মীদের অবস্থান লক্ষ করা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘নগর ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। মাঠের বাইরে থেকেও অনেকে বক্তব্য শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন।’
দলীয় সূত্র জানায়, আজকের এই সমাবেশকে ঘিরে বিএনপির সব সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সংগঠিতভাবে উপস্থিত হয়েছেন। বিশাল এই জনসমাগমে পলোগ্রাউন্ড এলাকা পরিণত হয় এক বিশাল রাজনৈতিক মিলনমেলায়।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৪ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে