
দেশে সরকার পরিবর্তনের পাশাপাশি ভূমি ও কৃষি অফিসে নতুন সুপারিশওয়ালা ও লেনদেনের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। এসব গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যায় না বলে জানিয়েছেন তিনি।
আজ রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন ও রাষ্ট্র সংস্কার কৃষক আন্দোলন আয়োজিত ‘ভূমিহীন কৃষক সমাবেশে’ এ কথা বলেন জোনায়েদ সাকি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘ভূমি অফিসে, কৃষি অফিসে আগে সরকারি দলের কারও সুপারিশ ছাড়া, ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হতো না। সবাই পরিবর্তন আশা করেছিলেন, সুপারিশ ছাড়া ন্যায্য দাবি পূরণ হবে। কিন্তু নতুন সুপারিশওয়ালা তৈরি হয়েছে, নতুন লেনদেনের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, যেটা গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যায় না।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট পালিয়েছে, ফ্যাসিস্ট-ব্যবস্থাকে বিদায় করে দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, নতুন যাত্রা। কিন্তু সেই যাত্রায় কি ভূমিহীনেরা আছেন? ভূমিহীন, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষেরা যদি না থাকেন, তাহলে এই বাংলাদেশ কার?’
ভূমি সংস্কার ছাড়া সত্যিকার পরিবর্তন হয় না উল্লেখ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, অনেক কমিশন হয়েছে, আবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কমিশন হয়নি। ভূমি কমিশন, শিক্ষা কমিশন হয়নি।
সরকারের উদ্দেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর তো (পরিচালনার দায়িত্ব) যে কেউ দিতে পারে, ওইটা জরুরি নয়। জরুরি হলো ভূমিহীনদের অধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া, এটা সবাই করতে পারে না। এ বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরকার একটা বিশেষ দলের সরকারে পরিণত হয়ে যাচ্ছে অভিযোগ করে সাকি বলেন, না হলে কেন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ছাত্রদের সই, সুপারিশ আনতে বলবেন? বিচার, সংস্কার, নির্বাচন একসঙ্গে চলতে হবে। এটাই প্রধান কাজ। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এটা করতে হবে।
সমাবেশে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা সারা জীবন কৃষি, কৃষক, ভূমিহীন, মেহনতি জনতার জন্য আন্দোলন করেছেন। কিন্তু উপদেষ্টা হওয়ার পর আমাদের বারবার দাবির মুখেও তাঁরা কৃষি, কৃষক, ভূমিহীনের জন্য কোনো উদ্যোগ নেন নাই।’
বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসিরউদ্দিন বলেন, ‘আমরা কৃষি সংস্কার কমিশন গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট দুটি মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের বলা হয়, আপনারা ছাত্রনেতাদের সিগনেচার নিয়ে আসেন।’
সমাবেশ শেষে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ৮ দফা দাবিসহ স্মারকলিপি দেন তাঁরা। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থ সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়া, গণমুক্তিমঞ্চের আহ্বায়ক সাকিব প্রত্যয় প্রমুখ।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৭ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে