নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, স্বৈরাচারের গুলির আঘাতে আমাদের শোকের মিছিল আরও দীর্ঘ হতে পারে। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা এতে ভয় পায় না। আপনারা গুলি করছেন আর ভাবছেন যে, আমরা ভয় পেয়ে গেছি। ভয়ের দিন চলে গেছে। আর কোনো ধরনের হুমকি, গুলি করে জনগণকে ভয়ের রাজত্বে রাখা যাবে না।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এবার পাল্টা আক্রমণের সময় এসে গেছে। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে তারা প্রত্যাঘাত করবে সেই সময় এসে গেছে। তারা এখন প্রতিটি অন্যায় অবিচারের প্রত্যাঘাত করবে। এ ফ্যাসিবাদ ও নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে শপথ নিয়ে নামবে। জনগণ মাঠে নামলে আওয়ামী লীগ পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।
সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকির সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মিফতাহ্ সিদ্দিকী।
এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—বদরুজ্জামান সেলিম, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, হাবিবুর রহমান হাবিব, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মিসবাহ্ উদ্দিন, নজিবুর রহমান নজিব, সৈয়দ মঈনুদ্দিন সোহেল, সদস্যবৃন্দের মধ্যে আমির হোসেন, সৈয়দ তৌফিকুল হাদি, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, শামীম মজুমদার, সৈয়দ সাফেক মাহবুব প্রমুখ।
সিলেট জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন, শামীম আহমদ, হাজী মো শাহাবুদ্দিন, আবুল কাশেম, এ কে এম তারেক কালাম, কামরুল হাসান শাহীন, কোহিনূর আহমদ, আব্দুল আহাদ খান জামাল, মাহবুবুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মুমিনুল ইসলাম মুমিন, শাকিল মুর্শেদ, আফছর খান, মিফতাউল কবির মিফতা, আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, অ্যাডভোকেট সাইদ আহমেদ, আব্দুর রহমান, মাহবুব আলম, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, আব্দুল আহাদ শামীম, লোকমান আহমদ, মনিরুল ইসলাম তুরন, বাদশা আহমদ, জাহেদ আহমদ, আকবর আলী, আল মামুন, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, শামছুর রহমান শামীম, আলতাফ হোসেন সুমন, দেলওয়ার হোসেন দিনার, পলিনা রহমান প্রমুখ।
এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে আগামী ২০ নভেম্বর সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে সিলেট জেলা ও মহানগর মহিলা এবং সিলেট জেলা ও মহানগর জাসাসের প্রস্তুতি সভায় অংশ নেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। সিলেট মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, স্বৈরাচারের গুলির আঘাতে আমাদের শোকের মিছিল আরও দীর্ঘ হতে পারে। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা এতে ভয় পায় না। আপনারা গুলি করছেন আর ভাবছেন যে, আমরা ভয় পেয়ে গেছি। ভয়ের দিন চলে গেছে। আর কোনো ধরনের হুমকি, গুলি করে জনগণকে ভয়ের রাজত্বে রাখা যাবে না।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এবার পাল্টা আক্রমণের সময় এসে গেছে। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে তারা প্রত্যাঘাত করবে সেই সময় এসে গেছে। তারা এখন প্রতিটি অন্যায় অবিচারের প্রত্যাঘাত করবে। এ ফ্যাসিবাদ ও নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে শপথ নিয়ে নামবে। জনগণ মাঠে নামলে আওয়ামী লীগ পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।
সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকির সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মিফতাহ্ সিদ্দিকী।
এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—বদরুজ্জামান সেলিম, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, হাবিবুর রহমান হাবিব, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মিসবাহ্ উদ্দিন, নজিবুর রহমান নজিব, সৈয়দ মঈনুদ্দিন সোহেল, সদস্যবৃন্দের মধ্যে আমির হোসেন, সৈয়দ তৌফিকুল হাদি, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, শামীম মজুমদার, সৈয়দ সাফেক মাহবুব প্রমুখ।
সিলেট জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন, শামীম আহমদ, হাজী মো শাহাবুদ্দিন, আবুল কাশেম, এ কে এম তারেক কালাম, কামরুল হাসান শাহীন, কোহিনূর আহমদ, আব্দুল আহাদ খান জামাল, মাহবুবুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মুমিনুল ইসলাম মুমিন, শাকিল মুর্শেদ, আফছর খান, মিফতাউল কবির মিফতা, আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, অ্যাডভোকেট সাইদ আহমেদ, আব্দুর রহমান, মাহবুব আলম, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, আব্দুল আহাদ শামীম, লোকমান আহমদ, মনিরুল ইসলাম তুরন, বাদশা আহমদ, জাহেদ আহমদ, আকবর আলী, আল মামুন, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, শামছুর রহমান শামীম, আলতাফ হোসেন সুমন, দেলওয়ার হোসেন দিনার, পলিনা রহমান প্রমুখ।
এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে আগামী ২০ নভেম্বর সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে সিলেট জেলা ও মহানগর মহিলা এবং সিলেট জেলা ও মহানগর জাসাসের প্রস্তুতি সভায় অংশ নেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। সিলেট মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা এবং কাকরাইলে সংঘটিত সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমর ফেসবুক পোস্টে হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগেরাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের মধ্যে আহত সংগঠনটির সভাপতি নুরুল হক নুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক।
৮ ঘণ্টা আগেমির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি সব শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চাকে ব্যাহত করে—এমন কোনো কর্মকাণ্ডকে বিএনপি সমর্থন করে না এবং সুস্থধারার রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এমন হামলাকে আমরা নিন্দা জানাই।’
১০ ঘণ্টা আগেশুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘এ হামলার নির্দেশদাতাকে চিহ্নিত করতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো। কার নির্দেশে পুলিশ আমাদের ওপর হামলা করল, তার বিচার করতে হবে।’
১০ ঘণ্টা আগে