
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভারত আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১১ আসনে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ বুধবার রাজধানীর মালিবাগে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে প্রতিবেশী একটি দেশ ষড়যন্ত্র করছে। প্রতিবেশী দেশের কূটনীতিকেরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। এর আগে আওয়ামী লীগের আগের ভোট কারচুপির নির্বাচন সমর্থন দিয়েছে ভারত। এবারও তারা নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
নানা জায়গায় টাকা দিয়ে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম নিজের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন নাহিদ। তিনি বলেন, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে সুযোগ দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে।
রামপুরায় নির্বাচনী প্রচারে পরিকল্পিতভাবে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, অতীতের মতো এবারও নির্বাচনী অনিয়মে ভারত সহযোগিতা করতে চায়। নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ বাড়ছে। কিছু বিদেশি পক্ষ প্রকাশ্যে বিএনপির পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছে।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৪ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে