
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন (আইসিই) এজেন্টরা দুই বছরের এক শিশুকন্যা আটক করেছে। গত বৃহস্পতিবার বাবাসহ ওই শিশুকে আটক করে টেক্সাসে পাঠিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। আদালতের নথিপত্র ও আইনজীবীদের কথায় এ ঘটনার ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে এলভিস জোয়েল টিই ও তাঁর দুই বছরের মেয়ে দোকান থেকে ফিরছিলেন। তখন আইসিই সদস্যরা তাঁদের আটক করেন। পরিবারের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, আইসিই সদস্যদের কাছে কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না।
শিশুটি গাড়ির ভেতরে থাকা অবস্থায় একজন আইসিই সদস্য গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে ফেলেন। এ সময় শিশুটির মা কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু বাবা যাতে মেয়েশিশুকে মায়ের কাছে দিয়ে আসতে না পারেন, সে জন্য এজেন্টরা বাধা দেন।
শিশুটিকে ইমিগ্রেশন গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর আইনজীবীরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতে আবেদন করেন। রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একজন ফেডারেল বিচারক আদেশ দেন, বাবা ও মেয়েকে মিনেসোটার বাইরে পাঠানো যাবে না। তিনি রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে শিশুটিকে ছেড়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেন। বিচারক মন্তব্য করেন, ‘বলাই বাহুল্য, এই শিশুর কোনো অপরাধের ইতিহাস নেই।’
কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা আদালতের আদেশের তোয়াক্কা না করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁদের উড়োজাহাজে করে টেক্সাসের একটি আটককেন্দ্রে পাঠিয়ে দেন।
আইনজীবী ইরিনা ভায়নারম্যান বলেছেন, ব্যাপক আইনি লড়াইয়ের পর শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে মিনেসোটায় ফিরিয়ে এনে মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বাবা এলভিস জোয়েল এখনো মিনেসোটায় আটক রয়েছেন।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) দাবি করেছে, শিশুটির বাবা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছেন। তারা আরও দাবি করেছে, শিশুটির মা তাকে নিতে অস্বীকার করেছিলেন।
তবে আইনজীবীরা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এই দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, আইসিই সদস্যরাই শিশুটিকে তার মায়ের কাছে যেতে দেয়নি। গ্রেপ্তারের সময় সেখানে উপস্থিত উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে এজেন্টরা রাসায়নিক গ্যাস ও ফ্ল্যাশ-ব্যাং ব্যবহার করেছেন।
পরিবারের আইনজীবী ভায়নারম্যান বলেন, ‘এই নৃশংসতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। কোনো মা-বাবাই তাঁর সন্তানের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার এই ভয়াবহতা সহ্য করতে পারবেন না। এই ছোট শিশুর ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হবে, তা কেউ জানে না।’
আইনজীবী অভিযোগ করেন, আইসিই সদস্যরা লোকজনকে দ্রুত অন্য রাজ্যে সরিয়ে নিচ্ছেন, যাতে তাঁরা আইনি সহায়তা না পান এবং আদালতের নাগালের বাইরে চলে যান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪২ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে