
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুরু করা ইরান যুদ্ধকে ‘ইচ্ছাকৃত যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন ডেমোক্রেটিক সিনেটর ক্রিস কুন্স। তিনি দাবি করেছেন, এই যুদ্ধের কারণে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সদস্য ক্রিস কুন্স তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ট্রাম্পের এই ইরান যুদ্ধের ফলে কেবল জ্বালানি তেলের দামই বাড়েনি, বরং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল এমনকি বাড়ির ঋণের (মর্টগেজ) কিস্তিও মহার্ঘ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এখন এই যুদ্ধের চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ পরিবারগুলোকে।
ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের সিনেটর ক্রিস কুন্স আগেও ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেছিলেন, ঠিক কী কারণে এই যুদ্ধ শুরু করা হয়েছে কিংবা এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে—সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হচ্ছে না।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে