সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ লাখ ফুট উচ্চতায় বসে আছেন আপনি! তখন হয়তো সূর্য উঁকি দিচ্ছে দিগন্তে। আর মহাজাগতিক পরিবেশ দেখতে দেখতে সেরা রাঁধুনির রান্না করা খাবার উপভোগ করছেন। কোনো সিনেমা কিংবা স্বপ্নের দৃশ্য নয় এটি। বাস্তবেই এমনটি ঘটতে চলেছে।
এমন উচ্চতায় মহাকাশে একটি রেস্তোরাঁ খুলতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পেসভিআইপি’ নামের একটি পর্যটন কোম্পানি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেস্তোরাঁটির জন্য বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা শেফ রাসমুস মাঙ্ককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাকাশে ভাসমান বেলুন-রেস্তোরাঁটি নির্মাণ করেছে ‘স্পেস পারসপেকটিভস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এতে ভ্রমণকারী অতিথিদের কোনো বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হবে না। কেননা রকেট নয়, একটি স্পেস বেলুনের সাহায্যে বিশেষ ধরনের ক্যাপসুলে বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে যাত্রীদের। এই রেস্তোরাঁয় আপাতত ছয়জন বসতে পারবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী বছর রেস্তোরাঁটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেসসেন্টার থেকে যাত্রা করবে এটি। অতিথিদের পুরো ভ্রমণের স্থায়িত্ব হবে ৬ ঘণ্টা। ভ্রমণের সময় ওয়াই-ফাই সুবিধা পাবেন তাঁরা। এই রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে হলে গুনতে হবে প্রায় ৫ লাখ ডলার।
রেস্তোরাঁটির খাবারের বিষয়ে জানতে চাইলে শেফ মাঙ্ক বলেন, ‘মহাকাশ সফরের মতোই চমক থাকছে মেনুতে। এখন খরচ অনেক বেশি হলেও ভবিষ্যতে অনেকটা কমতে পারে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৪৩ মিনিট আগে