
যুক্তরাষ্ট্রের নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি চান না ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করুক। তাঁর দাবি, ইরানের নেতারা শেষ পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করবে। একই সঙ্গে, তিনি ইরানি নেতাদের কাছে যা যা চান, তারা যদি সেগুলো তাঁরা না দেয়, তবে তাদের আর কোনো দেশই থাকবে না।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘ওরা এখন সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত। তারা পারমাণবিক অস্ত্র ছেড়ে দেবে। তারা আমাদের নিউক্লিয়ার ডাস্ট দেবে। আমরা যা চাই, সবই করবে। আর জানেন কী? হয়তো তারা আবার একটি মহান দেশ হয়ে উঠবে। কিন্তু যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদের কোনো দেশই থাকবে না। একেবারেই থাকবে না।’
তিনি তাঁর আগের কিছু বক্তব্য পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষ আলোচনা ‘অত্যন্ত ভালোভাবে’ এগোচ্ছে। একই সঙ্গে দাবি করেন, তেহরানে ইতিমধ্যেই ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘দেখুন, একটি শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে, তারা সবাই মারা গেছে। পরের শাসনব্যবস্থার অধিকাংশই মারা গেছে। আর তৃতীয় শাসনব্যবস্থায় আমরা এমন লোকদের সঙ্গে কাজ করছি, যাদের সঙ্গে আগে কেউ কাজ করেনি। এটি একেবারেই ভিন্ন একটি গোষ্ঠী। তাই আমি এটিকে রেজিম চেঞ্জ বলব। এবং সত্যি বলতে তারা খুবই যুক্তিসংগত আচরণ করছে। তাই আমি মনে করি, আমরা রেজিম চেঞ্জ অর্জন করেছি। এর চেয়ে ভালো করা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘আজ ইরানের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে।’ তাঁর দাবি, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন অনেক কিছু দিচ্ছে, যা তাদের অনেক আগেই দেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, ‘দেখা যাক কী হয়, তবে তারা খুব ভালো আচরণ করছে।’
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আজ ইরানে আরও কিছু লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে, এবং দিনটিকে তিনি ‘বড় দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে আলোচনা করছি। আমাদের দূত রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি শুধু বলতে পারি, আমরা ওই আলোচনায় অত্যন্ত ভালো করছি। কিন্তু কখনোই নিশ্চিত হওয়া যায় না তারা কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। কারণ আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করি, আর তারপর আমাদের প্রায়ই তাদের বোমা মারতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা তাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, প্রায় নিশ্চিত। তবে এটা সম্ভব যে তা নাও হতে পারে।’ তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘সম্মান প্রদর্শনের’ অংশ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে সর্বোচ্চ ২০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সম্ভাব্য টোল আরোপের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সত্য কি না, তা আমাকে খুঁজে দেখতে হবে।’ তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে খুব দ্রুতই এমন কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা দুই মিনিটের মধ্যে সেটা বন্ধ করে দিতে পারি। এত দ্রুত বন্ধ করব যে, মাথা ঘুরে যাবে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন, ‘তারা হামলার শিকার হয়ে বিস্মিত হয়েছিল। আমিও অবাক হয়েছিলাম তারা আঘাত পেয়েছে দেখে। কিন্তু আঘাত পাওয়ার পর তারা খুব ভালোভাবে লড়াই শুরু করেছে। আমাদের সঙ্গে তাদের খুব শক্তিশালী যোগাযোগ রয়েছে, এবং তারা সবাই লড়াই করছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর আরোপিত জ্বালানি অবরোধ আংশিক শিথিল করে একটি রুশ তেলবাহী একটি ট্যাংকারকে দেশটিতে পৌঁছানোর অনুমতি দিয়েছেন। ফলে দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকটে ভোগা কিউবা সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ইরানের নতুন নেতাদের সঙ্গে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু যদি কোনো কারণে চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দেওয়া না হয়, তবে আমরা আমাদের এই ‘অবস্থান’ থেকে সরে এসে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র,
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই দ্বীপটি পারস্য উপসাগরের উত্তরে অবস্থিত এবং ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তান সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। এটি হলো—ক্রিপ্টোকারেন্সিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ‘ক্রিপ্টো ডিপ্লোমেসি’ বা ‘বিপ্লোমেসি’। এই কৌশলের মাধ্যমে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে