পাকিস্তানে চলমান ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি এ পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশটির ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ। পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বৃহস্পতিবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, চলমান বন্যায় ১ হাজার ৪৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৫৩০ জন শিশু। গৃহহীন হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ।
বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সিন্ধু প্রদেশের হ্রদগুলোর পানি উপচে পড়ছে, ফলে প্লাবিত হচ্ছে আশপাশের গ্রাম ও নিম্নাঞ্চল। দুর্গত এলাকায় বাড়ছে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ। এরই মধ্যে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, কলেরা ও মারাত্মক গ্যাস্ট্রিক সংক্রমণের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেলুচিস্তান ও সিন্ধু প্রদেশের বেশির ভাগ অঞ্চল প্লাবিত। খাইবার পাখতুনখাওয়া ও পাঞ্জাবের কিছু অংশ তলিয়ে গেছে। টানা বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বহু ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বিদ্যুতের সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যা শুরু হওয়ার পর দুই মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানজুড়ে কয়েক হাজার গ্রাম এখনো পানির নিচে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক সড়ক।
বন্যার কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পরিসরে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে শাহবাজ শরিফ সরকার।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে