ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপের উদ্ভাবিত স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার পেগাসাস বিভিন্ন দেশে নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে একটি কমিশন গঠন করেছে। ইসরায়েলের সংসদের পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে আজ বৃহস্পতিবার এমনটি জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে ইসরায়েলের আইন প্রণেতা রাম বেন বারাক ইসরায়েলি গণমাধ্যম আর্মি রেডিওকে বলেন, প্রতিরক্ষা সংস্থা বেশ কয়েকটি গ্রুপ নিয়ে গঠিত একটি পর্যালোচনা কমিশন নিয়োগ করেছে।
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক উপপ্রধান বলেন, যখন এই পর্যালোচনা শেষ হবে আমরা এর ফলাফল দেখব এবং কোনো সংশোধন হলে প্রয়োজন হলে করব।
ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান এনএসও এই কমিশনকে স্বাগত জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শালেভ হুলিও আর্মি রেডিওকে এ নিয়ে বলেন, খুব খুশি হবো যদি তদন্ত হয়। এর মাধ্যমে আমাদের ওপর যে দোষারোপ করা হচ্ছে সেটি থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি।
ইরায়েলের সাইবার শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য এই অভিযোগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে হুলিও।
পেগাসাস এমন একটি স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার যেটি একজন ব্যবহারকারীর অজান্তেই তাঁর ফোনে ইনস্টল করে দেওয়া যায়। এতে ওই ব্যবহারকারীর ফোনের মেসেজ, লোকেশন, ফোনের ক্যামেরা এবং মাইক্রোফন হ্যাক করা যায়।
ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপের তৈরি স্পাইওয়্যার পেগাসাস। পেগাসাস ব্যবহার করে বিশ্বের দেশে দেশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্মার্টফোনে আড়িপাতার ঘটনা ফাঁস হয়েছে। গতকাল রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানসহ ১৬টি সংবাদপত্র এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ফাঁস করেছে। ফাঁস হওয়া একটি ডেটাবেইসে ৫০ হাজার ফোন নম্বর পায় প্যারিসভিত্তিক সংস্থা ফরবিডেন স্টোরিজ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, পরে তারা গার্ডিয়ান, দ্য অয়্যারসহ ১৬টি সংবাদমাধ্যমকে তা জানায়। তারা সবাই মিলে এই অনুসন্ধানের নাম দিয়েছে ‘পেগাসাস প্রজেক্ট’। গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া ডেটাবেইসে ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বর পাওয়া গেছে।

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
৪৪ মিনিট আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে