ইরানজুড়ে চলমান সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এক জরুরি বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, তারা পশ্চিম ইরানজুড়ে কয়েক শ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলি বিমান বাহিনী জানিয়েছে, তাদের কয়েক ডজন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নিয়েছে এবং ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে তারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
এই হামলার পর ইরানও দমে থাকেনি। তেহরান থেকে ইসরায়েলের দিকে পাল্টা প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে ইরান থেকে আসা এই পাল্টা হামলাগুলো প্রতিহত করতে কাজ করছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় ইরানের কয়েক শ মিসাইল লঞ্চার এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে এখনো ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান দেওয়া না হলেও তেহরানের আকাশজুড়ে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের ঘটনাটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানে সরাসরি সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ঘাঁটিগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
২৭ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩০ মিনিট আগে
পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর ডেভ ম্যাককরমিক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করতে পারলেও ইরানকে ‘ঠিক’ করতে পারবে না। গতকাল রোববার ট্রাম্পের দলের এই সিনেটর দেশটির সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজের একটি...
১ ঘণ্টা আগে