
যুক্তরাষ্ট্র ‘ব্যাপক’ বিমান ও নৌ হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে আকাশ ও সমুদ্রপথে সমন্বিত হামলা চালানো হবে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রশাসন বলেছে, নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে এবং প্রয়োজন হলে তা আরও জোরদার করা হবে। হামলার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, কৌশলগত স্থাপনা সুরক্ষা এবং সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধে এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ‘ব্যাপক’ হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে, তাদের পদক্ষেপ নির্দিষ্ট নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষায় এবং চলমান হুমকির জবাব হিসেবেই নেওয়া হচ্ছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস। শনিবার এক বিবৃতিতে দলটি এই হামলাকে ‘যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া পরিচালিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাষায় এর বিরোধিতা করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তুলনামূলকভাবে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌযান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে এবং সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌবাহিনীর সদরদপ্তরও অনেকাংশে ধ্বংস করে দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গত রাতে মার্কিন বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমানগুলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের শক্তিশালী বোমা নিয়ে ইরানের সুরক্ষিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। আমেরিকার সংকল্প নিয়ে কোনো জাতিরই সন্দেহ করা উচিত নয়।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে