কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে যেসব কৃষক নিহত হয়েছেন তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং উৎপাদিত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সরকারকে ঠিক করে দিতে হবে। এই দুই দাবিতে আজ বুধবারও ভারতের জাতীয় সংসদ উত্তাল ছিল। দফায় দফায় মুলতবি হয়েছে অধিবেশন।
কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং টোমার সংসদে বলেছেন, সরকারের কাছে কৃষক আন্দোলনে নিহতদের কোনো তথ্য নেই। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, কেন্দ্রের জবাব দুর্ভাগ্যজনক। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে ৭০০ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়াও ১২ জন সাংসদের বরখাস্তের দাবি প্রত্যাহার নিয়ে এদিনও হইচই হয় সংসদে। সংসদের বাইরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে এদিনও ছিল বিরোধী সাংসদদের গণ অবস্থান।
কেন্দ্রীয় সরকার বিতর্কিত কৃষি আইন তিনটিই প্রত্যাহার করে নিলেও ভারতীয় সংসদে উত্তেজনা কমছে না। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার স্বৈরাচারী মানসিকতা থেকেই বিনা আলোচনায় বিল তিনটি পাস করিয়েছিল, প্রত্যাহারও করেছে বিনা আলোচনাতেই। তাই কৃষকদের স্বার্থে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তাঁরা তুলতে চান সংসদে। কিন্তু লোকসভায় স্পিকার ওম বিড়লা রাজি না হওয়ায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিরোধীরা। সেই সঙ্গে গত অধিবেশনের অসংসদীয় আচরণের কারণে রাজ্যসভার ১২ জন সাংসদের বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতেও আন্দোলন চলছে।
রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, ক্ষমা না চাইলে বরখাস্তের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হবে না। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বিরোধী পক্ষের কাছে ক্ষমতা চাওয়ার অনুরোধ করলেও সেই অনুরোধ খারিজ করে দিয়েছেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৪ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে