ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধী ও আইনজীবীদের একটি বিশেষজ্ঞ দল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি মানবাধিকার সংস্থা গুয়ের্নিকা থার্টি সেভেন সেন্টারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও রাজস্ব দপ্তরে আবেদনপত্রটি দাখিল করা হয়। ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়্যারে এ সংক্রান্ত একটি নিবন্ধ লিখেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ভারতের উত্তর প্রদেশের পুলিশ বাহিনী অনেক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডে ভূমিকা রাখার জন্য উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এ ছাড়া সদ্য অবসরে যাওয়া উত্তর প্রদেশ পুলিশের মহাপরিচালক ওম প্রকাশ এবং কানপুর জেলার পুলিশ সুপারিনটেন্ড সঞ্জীব তেয়াগীর বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে সুপারিশ করা হয়েছে ওই আবেদনপত্রে।
আন্তর্জাতিক আইনজীবী টবি ক্যাডম্যান দ্য ওয়্যারকে বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে এই তিন ব্যক্তির নির্দেশেই পুলিশ এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। কারণ পুলিশ বাহিনী তাদেরই নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং তাঁরা হুকুমদাতার আসনে ছিলেন।’
এই আইনজীবী এবং গুয়ের্নিকা থার্টি সেভেন সেন্টারের সহযোগী কাউন্সেল টবি ক্যাডম্যান আরও বলেন, আবেদনপত্রে এমন কিছু বিশ্বাসযোগ্য সূত্র উপস্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে ২০১৭ সালে যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর তথাকথিত ‘এনকাউন্টারে’ পুলিশ অন্তত ১৪৬টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদেও আছেন। এখন উত্তর প্রদেশে বিধানসভার নির্বাচন চলছে। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন করা হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট যখন কারও বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তখন ওই ব্যক্তির যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পত্তি অবরুদ্ধ করে দেয় মার্কিন সরকার। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তির আর্থিক লেনদেনেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কখনো কখনো আরোপ করা হয় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।
এর আগে ২০১৯ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ২০১৭ সালের মার্চ থেকে ঘটে যাওয়া প্রায় ৫৯টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে ভারত সরকারকে চিঠি দিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা গুয়ের্নিকা থার্টি সেভেন সেন্টার আন্তর্জাতিক অপরাধী ও মানবাধিকার আইনজীবীদের একটি সংগঠন। এই সংগঠনটি সম্প্রতি বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়েও যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে