পেগাসাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের ওপর চাপ বাড়ল। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত একতরফা রায় ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি এনভি রামন জানিয়েছেন, 'আদালতের সামনে রায় ঘোষণা ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই।'
সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ভারত সরকার হলফনামা ঠিকমতো পেশ না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি সূর্যকান্তও। তিনি বলেন, 'সরকার আইন মেনে ব্যক্তিগত ফোনে আড়ি পেতেছে কিনা সেটা আমরা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উত্তর পাইনি।' আদালতের কড়া মনোভাবে মোদি সরকার বেশ চাপে রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
ইসরায়েলের বেসরকারি সংস্থার তৈরি পেগাসাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে গোটা দুনিয়ার প্রভাবশালীদের পাশাপাশি ভারতের তিন শতাধিক ব্যক্তির ফোনে আড়ি পাতা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, তৃণমূলের অভিষেক ব্যানার্জি থেকে শুরু করে বিচারপতি, গোয়েন্দা প্রধান শিল্পপতি, সাংবাদিকসহ বহু মানুষের নাম উঠে আসে পেগাসাস আড়ি পাতা কেলেঙ্কারিতে। এই নিয়ে ভারতের জাতীয় সংসদেও ব্যাপক হট্টগোল হয়। নাগরিকদের সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সসম্মানে বেঁচে থাকার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই মামলার প্রেক্ষিতে এদিনও প্রধান বিচারপতি জানতে চান, আইন স্বীকৃত কোনো পদ্ধতি ছাড়া রাজনীতিক, সাংবাদিক, আইনজীবী, বিচারক এবং অন্যদের টেলিফোনে আড়িপাতা হয়েছে কিনা।
এর আগে সরকারকে হলফনামা দেওয়ার জন্য সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাকে বলেছিলেন আদালত। কিন্তু এদিন এ বিষয়ে হলফনামা জমা না দিয়ে মেহেতা বলেন, 'জাতীয় সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষার সঙ্গে পেগাসাস সম্পর্ক যুক্ত। তাই এই সফটওয়্যার ব্যবহার হলফনামার বিষয় হতে পারে না।' কিন্তু এই মন্তব্যে সন্তুষ্ট না হয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, 'আমরা জাতীয় সুরক্ষা বা প্রতিরক্ষা নিয়ে কিছু জানতে চাই না। মৌলিক অধিকারই আদালতের বিচার্য। হলফনামা পেশের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে বারবার সময় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন রায় ঘোষণা ছাড়া আমাদের কাছে আর অন্য কোনো রাস্তা খোলা নেই।' এর আগে, প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বাল আদালতকে বলেন, 'আমরা জানতে চাই পেগাসাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে সরকার মৌলিক অধিকার হরণ করেছে কি না।'

ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
২ ঘণ্টা আগে