
নেপালের বিভিন্ন শহরে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার নতুন করে বারা জেলায় জেন-জি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (ইউনিফাইড মার্ক্সিস্ট লেনিনিস্ট–ইউএমএল) কর্মীদের সংঘর্ষের পর প্রশাসন দিনের বেলায় কারফিউ জারি করে।
এর আগে গতকাল বুধবার বারা জেলার সিমারায় জেন-জি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ইউএমএল কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে বহু মানুষ আহত হয়। এরপর আজ সকাল থেকে আবার রাস্তায় নেমে আসেন বিক্ষোভকারীরা। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলা প্রায় ১১টার দিকে সিমারা চৌকে বিক্ষোভকারীরা জমায়েত হতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। সিমারা বিমানবন্দরের কাছে সংঘর্ষ তীব্র হলে পুলিশ টিয়ার শেলের গ্যাস ছোড়ে। এতে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়।
এরপর দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে বারা প্রশাসন কারফিউ জারি করে। কারফিউ স্থানীয় সময় বেলা ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বারার সহকারী প্রধান জেলা কর্মকর্তা ছাবিরামন সুবেদী ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানান, পুলিশের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফের কারফিউ জারি করা হয়েছে।
এএনআই জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তরুণ-তরুণীরা (জেন-জি) রাস্তায় জড়ো হতে শুরু করেন। এর আগের দিন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ছয়জন জেন-জি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছিলেন। তবে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট বলছে, বুধবারের সংঘর্ষে আরও বহু বিক্ষোভকারী আহত হন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না।
বারা জেলায় উত্তেজনা ছড়ায় ইউএমএল নেতাদের সফরের তথ্য প্রকাশের পর। ২০২৬ সালের ৫ মার্চ নির্বাচন সামনে রেখে ইউএমএল নেতারা তাঁদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়াচ্ছেন।
বর্তমান অস্থিরতার পটভূমিতে রয়েছে গত সেপ্টেম্বরের সেই বৃহত্তর অস্থিরতা। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর সরকারের সাময়িক নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জেন-জিদের বিক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং অন্তত ৭৬ জন নিহত হয়। সে সময় ব্যাপক জনরোষের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও ইউএমএল চেয়ারম্যান কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
ওলির পদত্যাগের পর ১২ সেপ্টেম্বর নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুসিলা কার্কি (৭৩) শপথ নেন। পদ গ্রহণের দিনই তিনি সংসদ ভেঙে নতুন নির্বাচনের সুপারিশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে