
রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত কিরগিজস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ওশ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বিপ্লবী সোভিয়েত নেতা ভ্লাদিমির লেনিনের একটি বিশাল ভাস্কর্য। মধ্য এশিয়ার মধ্যে লেনিনের এই ভাস্কর্যটি সর্বোচ্চ উচ্চতার মূর্তি হিসেবে পরিচিত ছিল।
রোববার সিএনএন জানিয়েছে, ১৯৭৫ সালে কিরগিজস্তান যখন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল, তখন ২৩ মিটার (৭৫ ফুট) উচ্চতার এই মূর্তিটি স্থাপন করা হয়। গতকাল শনিবার অনলাইনে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি ক্রেনের সাহায্যে মূর্তিটি নামিয়ে মাটিতে শুইয়ে রাখা হয়েছে।
অতীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল এমন অনেক দেশ বর্তমানে তাদের জাতীয় পরিচয় পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। এর ফলে এসব দেশ রাশিয়ার সঙ্গে আগের সম্পর্ককে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে ওশ শহরের মূর্তিটি অনেকটা নীরবেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। কিরগিজ কর্তৃপক্ষ এটিকে স্বাভাবিক শহর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
এক বিবৃতিতে ওশ সিটি হল জানিয়েছে, মূর্তি অপসারণ একটি সাধারণ প্রক্রিয়া, এলাকার স্থাপত্য ও নান্দনিক রূপ উন্নত করাই এর উদ্দেশ্য।
কর্মকর্তারা আরও জানান, শুধু কিরগিজস্তান নয়, রাশিয়ারও সেন্ট পিটার্সবার্গ ও বেলগোরদসহ বিভিন্ন শহর থেকে লেনিনের মূর্তি সরানো হয়েছে কিংবা স্থানান্তর করা হয়েছে। তাই মূর্তি সরানোর বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা উচিত নয়।
তারা জানিয়েছেন, ইতিপূর্বে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক থেকে লেনিনের আরেকটি মূর্তি সরিয়ে তার স্থানে যে পতাকাদণ্ড স্থাপন করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি ওশ শহরেও একটি পতাকাদণ্ড স্থাপন করা হবে।
এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল যখন কিরগিজস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া সম্প্রতি মস্কোর একটি ব্যস্ততম মেট্রো স্টেশনে নৃশংস সোভিয়েত একনায়ক জোসেফ স্তালিনের একটি মূর্তি উন্মোচন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৭ ঘণ্টা আগে