থাইল্যান্ডে থানাত থাংতেওয়ান নামের এক যুবকের অণ্ডকোষে অজগর সাপ কামড় দিয়েছে। তিনি বাথরুমের কমোডে বসতেই এমন ঘটনা ঘটে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। পরে অবশ্য টয়লেট ব্রাশ দিয়ে সাপটি পিটিয়ে হত্যা করেছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
গতকাল বুধবারের ওই ঘটনার ছবি প্রকাশ করেছেন থানাত। ছবিতে দেখা গেছে, ১২ ফুটের ওই সাপ বাথরুমের মেঝেতে পড়ে আছে।
থানত বলেন, ‘কমোডে বসার কিছুক্ষণ পর অনুভব করি, কিছু একটা আমার অণ্ডকোষে কামড় দিয়েছে। খুব ব্যথা হচ্ছিল। তখন আমি টয়লেটে হাত ঢুকিয়ে দেখি একটি সাপ ধরেছি! সাপ দেখে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমি দ্রুত উঠে দাঁড়াই এবং সাপটি কমোড থেকে বের করে ফেলি।’
এরপর থানাত টয়লেট ব্রাশ দিয়ে সাপের মাথায় আঘাত করে মেরে ফেলেন। এর মধ্যে তাঁর বাবা টিটেনাস টিকা নিতে হাসপাতালে যান। চিকিৎসকেরা জানান, সেলাই লাগবে না, কারণ ক্ষতটি গভীর নয়। এটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যাবে।
থানত আরও বলেন, ‘আমি এখন শঙ্কামুক্ত। আমি ভাগ্যবান যে, এটি একটি বিষধর সাপ ছিল না। কোবরা হলে মরে যেতাম। ঘটনার পর থেকে আমি আর ওই টয়লেটে যাইনি।’
থাইল্যান্ডে এর আগেও বহুবার টয়লেটে অজগর সাপের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৬ সালে চাচোয়েংসাও প্রদেশে একটি স্কোয়াট টয়লেটে এক ব্যক্তিকে ১০ ফুট লম্বা অজগর কামড় দিয়েছিল। ২০২০ সালে সামুত প্রাকান প্রদেশে টয়লেটে এক গৃহবধূকে অজগর কামড় দিয়েছিল।
রেটিকুলেটেড অজগর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে পাওয়া যায়। এই প্রজাতি বন, জলাভূমি, খাল এমনকি শহরে বাস করে। এই প্রজাতি বিশ্বের বৃহত্তম সাপগুলোর মধ্যে একটি। এরা মানুষ, বিড়াল, কুকুর, পাখি, ইঁদুর এবং অন্যান্য সাপ খেতে পারে।

ইরানিরা তুরস্কের ‘ক্যাপিকয়’ সীমান্ত গেট দিয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেহরান থেকে আসা এক ব্যক্তি বলেন, ‘তেহরানের পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই কঠিন। বোমা হামলা হচ্ছে। সবাই ভীত।’ তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা বর্তমানে তুরস্কেই রয়েছেন।
২ মিনিট আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্ম ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্যমতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর এ পর্যন্ত ১৫টি যুদ্ধবিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্পেনের রোটা অ্যান্ড মোরন সামরিক ঘাঁটিটি স্পেনের সার্বভৌমত্ব বজায়...
৫ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছে চীন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনা করে বেইজিং একে ‘জঙ্গলের আইন’-এর সঙ্গে তুলনা করেছে।
১৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অভিযান ‘অন্তহীন কোনো যুদ্ধ’ নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ভবিষ্যতে ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করেননি তিনি। আজ সোমবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
১ ঘণ্টা আগে