
ঢাকা: আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি নৌকা ডুবে গেছে। এসময় ৩৩ জন বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। আজ মঙ্গলবার তিউনিশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি জানিয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে আর কোনো বাংলাদেশি আছেন কি–না সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ জেকরির উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, সোমবার তিউনিশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে স্ফ্যাক্স উপকূলের কাছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যেতে দেখে স্থানীয় একটি তেলক্ষেত্রের কর্মীরা কর্তৃপক্ষকে জানান। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাতে উপকূলের ওই এলাকায় তিউনিশিয়ার নৌবাহিনীর কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ভূ-মধ্যসাগরীয় সমন্বয় অফিসের মুখপাত্র ফ্লাভিও ডি গায়াকোমো টুইটারে বলেছেন, তিউনিশিয়া উপকূল থেকে যে ৩৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে তাদের সবাই বাংলাদেশি। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে নৌকাটি গত রোববার লিবিয়ার জাওয়ারা থেকে যাত্রা করে।
তিউনিশিয়ায় নিযুক্ত আইওএমের মুখপাত্র রিয়াদ কাদি বলেছেন, উদ্ধার হওয়া যাত্রীরা জানিয়েছেন নৌকাটিতে ৯০ জন আরোহী ছিলেন।
উল্লেখ্য, দারিদ্র্য অথবা সংঘাত থেকে বাঁচতে প্রায়ই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা নিজ দেশ ছেড়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাতে ভূমধ্যসাগরের সমুদ্রপথ বেছে নেন। ইউরোপগামী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিপজ্জনক যাত্রাপথের অন্যতম কেন্দ্র লিবিয়া।
গত কয়েক মাসের মধ্যে তিউনিশিয়া উপকূলে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো নৌকাডুবির ঘটনা ঘটল। এর আগে সর্বশেষ চলতি মাসের শুরুর দিকে তিউনিশিয়া উপকূলে অন্তত ১৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে একটি নৌকা ডুবে যায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৭ মিনিট আগে