
সুনামগঞ্জের ছাতকে অটোরিকশাকে পাশ কাটাতে গিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক আরোহী।
উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-বঙ্গবন্ধু সড়কের পাগল হাসান চত্বর এলাকায় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন কালারুকা ইউনিয়নের করছখালী গ্রামের নোয়াব আলীর ছেলে মোহাম্মদ শাহিনুর মিয়া (৩৩) ও ফারুক মিয়ার ছেলে হুমায়ুন আহমদ (৩২)। আহত হয়েছেন হুসাইন আহমেদ নামের একজন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় তিন যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসায় বাইকটি দ্রুতগতিতে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে পাশ কাটাতে গিয়ে সড়কের পাশে থেমে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ঢুকে যায়। এতে তিন আরোহী গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান আকন্দ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। আরও একজন আহত হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে