
সুনামগঞ্জের ছাতকে ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাবুল মিয়া (৩৫)। তিনি উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের জহিরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে শিশুটিকে মাদ্রাসায় ধর্ষণ করেন সাবুল। ঘটনাটি গোপন রেখে আপসরফার চেষ্টা চালান সাবেক এক জনপ্রতিনিধি। তবে পরে তা জানাজানি হলে স্থানীয় যুবসমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে মধ্যরাতে কয়েক শ বিক্ষুব্ধ মানুষ অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকির হোসাইন বলেন, ‘মেয়েটিকে ধর্ষণের জন্য চেষ্টা করেছিল। পরে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে পালিয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টি জানার পর তাকে (প্রধান অভিযুক্ত) ধাওয়া করে। তাকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে