নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রী বিষপান করেছেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর স্ত্রীর মৃত্যু হয়।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বজরা হাসপাতালে মারা যান ফাতেমা আক্তার (২৭)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন আব্দুর রহিম (৩২)। তাঁদের বাড়ি পাঁচগাঁও ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ভাওর গ্রামের সাদাপাড়া এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, পাঁচ বছর আগে পারিবারিকভাবে উপজেলার বানসা গ্রামের জমদার বাড়ির সামছুল আলমের মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে আব্দুর রহিমের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কিছুদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের সংসারে পারিবারিক কলহ চলছিল। বুধবার বিকেলে স্বামীর বাড়িতে প্রথম বিষ পান করেন ফাতেমা। এরপর একই সময়ে তাঁর স্বামী রহিমও বিষ পান করেন। পরে তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী সোনাইমুড়ীর বজরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান ফাতেমা।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে