
মেহেরপুরের গাংনীতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলিসহ গোলাম মোস্তফা ডাকু (৫০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। আজ সোমবার ভোরে গাংনী পৌরসভার চৌগাছা (ভিটাপাড়া) নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত গোলাম মোস্তফা ডাকু চৌগাছার (ভিটাপাড়া) মৃত মো. আজিজুল হক খোকনের ছেলে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় র্যাব-১২ গাংনী ক্যাম্প এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোলাম মোস্তফা ডাকু অস্ত্র নিয়ে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২, সিপিসি-৩ গাংনী এবং গাংনী সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও তিনটি তাজা গুলিসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধারের ঘটনায় গোলাম মোস্তফা ডাকুর বিরুদ্ধে আরেকটা মামলা দিয়ে তাঁকে গাংনী থানায় হস্তান্তর করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে