
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে চালক নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকালে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের মাইজহাটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অটোচালকের নাম শরিফুল ইসলাম শরীফ (৪০)। তিনি বাজিতপুর উপজেলার গজারিয়ার মৃত বকুল মিয়ার ছেলে।
কটিয়াদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারগুব তৌহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানান, সকালে অটোরিকশাটি কোনো যাত্রী ছাড়াই কটিয়াদী থেকে কিশোরগঞ্জে যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক শরিফুল মারা যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
ওসি মারগুব বলেন, এ দুর্ঘটনায় আর কেউ আহত হননি। অটোরিকশা ও ট্রাকটি জব্দ করা হলেও ট্রাকচালক পলাতক আছেন। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে