খুলনা নগরীতে খালের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় লবণচরা থানার রূপসা ব্রিজের কাছাকাছি এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শামুক কুড়াতে গিয়ে কয়েক ব্যক্তি রূপসা সেতুর কাছাকাছি এলাকায় খালের ঢালে একজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম আরও বলেন, আশপাশের লোকজন ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারছেন না। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও তদন্ত ব্যুরোর (পিবিআই) বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়। তাঁর পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে। ওই ব্যক্তির পরনে লুঙ্গি ও শার্ট ছিল। তাঁর মাথা, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে