
খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার পূর্ব বাগানটিলা এলাকায় মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ভোপালের মুহুরিগঞ্জ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রামগড় থানার পুলিশ।
এর আগে গত গত ২০ আগস্ট রাতের কোনো এক সময় ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন পূর্ব বাগানটিলা এলাকার আমেনা বেগম (৮৮) ও তাঁর মেয়ে রাহেনা আক্তার (৩৫)। সাইফুল আমেনা বেগমের বড় ছেলে শাহাবুদ্দিনের ছেলে। তিনি ছাগলনাইয়ার মুহুরিগঞ্জ এলাকায় থাকেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার অভিযানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশেষ টিম কাজ করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, হত্যার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে এবং দ্রুত চার্জশিট আদালতে দেওয়া হবে।
খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার (এসপি) আরেফিন জুয়েল খাগড়াছড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২০ আগস্ট রাতে সাইফুল দাদির বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইলে দাদি আমেনা খাতুন ও ফুফু রাহেনা আক্তার তাঁকে বকাঝকা করেন। ক্ষুব্ধ হয়ে গভীর রাতে দাদির ঘরে থাকা বাঁশ কাটার দা দিয়ে প্রথমে ফুফুর গলায় কোপ দেন এবং পরে একইভাবে দাদিকে হত্যা করেন। হত্যার পর মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যান। পরে সেটি চট্টগ্রামের দাঁতমারা ইউনিয়নের ইসলামপুর বাজারে মাত্র ৪০০ টাকায় বিক্রি করার চেষ্টা করেন। পুলিশ সেই মোবাইল ফোন ও হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করেছে।
বাগানটিলা সমাজ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এমন নৃশংস ঘটনা আগে আমাদের এলাকায় ঘটেনি। আসামি ধরা পড়ায় স্বস্তি পেয়েছি, তবে হত্যার স্মৃতি সহজে মুছে যাবে না।’
নিহত রাহেনা আক্তারের ছেলে মো. হাসান গত ২২ আগস্ট রামগড় থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রথমে অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পুলিশ বলছে, তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত কি না।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে