
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার জের ধরে এবার স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে ওই এলাকার ১২টি রেস্তোরাঁ ও কফিশপ। এসব রেস্তোরাঁর ট্রেড লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বন্ধ করার অংশ হিসেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে (ডিএসসিসি) চিঠি দিয়েছে।
রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) মো. মমিন উদ্দিন সম্প্রতি ১২টি রেস্তোরাঁর তালিকাসহ একটি চিঠি দেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে। এরপরই ডিএসসিসি এসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়া ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। রাজউক ও ডিএসসিসি থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজ সোমবার ডিএসসিসির উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজউকের চিঠি পেয়ে আমরা ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এ বিষয়ে দুই সংস্থা মিলে কাজ করবে।’
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত নকশার বাইরে গিয়ে স্থাপনা ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। তাই বেইলি রোডের স্পাইস অ্যান্ড হার্বস, বুমার্স ক্যাফে, দি ডাইনিং অ্যান্ড লঞ্জ, নবাবী ভোজ, ভূতের আড্ডা রেস্টুরেন্ট, কোকো ক্যাফে, ফখরুদ্দীন বিরিয়ানি, বিএফসি রেস্টুরেন্ট, ম্যাডশেফ, সিচুয়ান, ব্রাঞ্চ এট ও পিটার অ্যান্ড বার্গার নামের ১২টি প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজউকের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা বলেন, ‘আমরা শুধু বেইলি রোডে নয়; যেসব ইমারত অনুমোদিত নকশায় রেস্তোরাঁ করার সুযোগ রাখা হয়নি সেখানে যেন ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু না করে, সে জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। আর যেগুলো এ বিষয়টি মাথায় না রেখে আগে ইস্যু করা হয়েছে তা বাতিলের জন্য চিঠি দিয়েছি। এটা সিটি করপোরেশনের দুই প্রধান নির্বাহীকেই দেওয়া হয়েছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে