
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন তালতলা মোল্লাপাড়া এলাকার একটি বাড়ির দরজা ভেঙে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যার পরে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শেরেবাংলা নগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহাদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন বাবা মশিউর রহমান (৫০) ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে সাহদাব (১৬)। এ ছাড়া মশিউর রহমানের মেয়ে সিনথিয়াকেও (১৩) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ সময় তাঁদের মা বাসায় ছিলেন না।
শেরেবাংলা নগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহাদ আলী বলেন, তালতলা মোল্লাপাড়া এলাকার একটি বাড়ির দোতলা থেকে দরজা ভেঙে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং ছেলের লাশ মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া মেয়েটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাবা ছেলেকে ফাঁস দিয়ে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন। তবে মেয়েটিকে গলায় ফাঁস দেওয়া হলেও প্রাণে বেঁচে গেছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসী ঘটনা জানার পর আগে জীবিত অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
২৫ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
৩৯ মিনিট আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার দুপুরে উপজেলার বীর রামপুর গফাকুড়ি মোড়ে ফুলকুড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা ইউনুস আলী বিপুল পরিমাণ সরকারি পাঠ্যবই একটি পিকআপে তুলে দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা গাড়িটি আটক করেন।
১ ঘণ্টা আগে