
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আবারও পাওয়া গেল বোমার মতো বস্তু। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোং লিমিটেড চিনিকল এলাকাসহ পৌর এলাকায় ১৩টি ককটেল বা হাতবোমা উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনার এক মাসের ব্যবধানে আজ শুক্রবার সকালে দর্শনা মা ও শিশু হাসপাতালের পেছনে ইটখোলা নামক স্থানে একটি বোমার মতো বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে দর্শনা থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রাখে।
দর্শনা থানার ওসি শহীদ তিতুমীর বলেন, ‘শুক্রবার সকালে সাধারণ মানুষ ওই এলাকায় একটি সাদা পলিথিনের ব্যাগে কাঠের গুঁড়ার ওপর লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পান। পরে তাঁরা আমাদের জানালে এলাকাটি আমরা ঘিরে রেখেছি। উদ্ধারের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যাবে বোমা নাকি ককটেল।’
উল্লেখ্য, দর্শনা চিনিকল এলাকা থেকে গত ১৩, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি আলাদা ঘটনায় ৬টি বোমা উদ্ধার করা হয়। এর এক দিনের ব্যবধানে ১৮ ফেব্রুয়ারি দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে আরও ৬টি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। রাজশাহী র্যাব-৫ ইউনিট এবং যশোর সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট তা নিষ্ক্রিয় করেছিল। ওই ঘটনায় দর্শনা চিনিকল কর্তৃপক্ষ দুটি মামলা করে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে