জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় রাতে ডাকাত পড়েছে বলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ছনখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন নেজাম উদ্দিন (৪৬) ও আবু ছালেক (৩৮)। তাঁরা দুজনই উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহজাহান চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে দুজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রাতে ওসি বলেন, ‘উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা গ্রামে দুজন নিহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি। উদ্ধার শেষে লাশ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আরও চার-পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে নেজাম ও তাঁর সঙ্গে ৮-১০ জন কাঞ্চনা ইউনিয়ন থেকে ছনখোলা গ্রামে যান। এ সময় মাইকে ডাকাত পড়েছে ঘোষণা দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় স্থানীয় কিছু লোক। তবে তাঁরা সেখানে কেন গিয়েছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সামনে থাকা কাঞ্চনা ইউনিয়নের বাসিন্দা মাঈনুদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ তিনজনকে প্রথমে চমেক হাসপাতালে আনলেও পরে তাঁদের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা।
স্থানীয়রা বলেন, ছনখোলা গ্রামে আওয়ামী লীগ আমলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মানিকের আধিপত্য ছিল। প্রায় ১৫ বছর পর ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনে জামায়াত কর্মী নেজাম উদ্দিন এলাকায় ফিরলে তাঁর আধিপত্য শুরু হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
আরও খবর পড়ুন:

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় রাতে ডাকাত পড়েছে বলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ছনখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন নেজাম উদ্দিন (৪৬) ও আবু ছালেক (৩৮)। তাঁরা দুজনই উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহজাহান চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে দুজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রাতে ওসি বলেন, ‘উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা গ্রামে দুজন নিহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি। উদ্ধার শেষে লাশ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আরও চার-পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে নেজাম ও তাঁর সঙ্গে ৮-১০ জন কাঞ্চনা ইউনিয়ন থেকে ছনখোলা গ্রামে যান। এ সময় মাইকে ডাকাত পড়েছে ঘোষণা দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায় স্থানীয় কিছু লোক। তবে তাঁরা সেখানে কেন গিয়েছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সামনে থাকা কাঞ্চনা ইউনিয়নের বাসিন্দা মাঈনুদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ তিনজনকে প্রথমে চমেক হাসপাতালে আনলেও পরে তাঁদের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা।
স্থানীয়রা বলেন, ছনখোলা গ্রামে আওয়ামী লীগ আমলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মানিকের আধিপত্য ছিল। প্রায় ১৫ বছর পর ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনে জামায়াত কর্মী নেজাম উদ্দিন এলাকায় ফিরলে তাঁর আধিপত্য শুরু হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
আরও খবর পড়ুন:

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৭ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে