
কাপ্তাই সেনা জোনের বিশেষ অভিযানে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংগালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদো মং মারমাকে (৫০) উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে গাইন্ধা ইউনিয়নের লংগদুপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। গত ২৫ আগস্ট নিখোঁজ হন আদোমং মারমা নিখোঁজ হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনছারুল করিম।
আদোমং মারমার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আদোমং চেয়ারম্যান ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টায় তাঁর নিজ বাড়ি থেকে বাংগালহালিয়া ইউপি সদস্যদের সম্মানী তুলতে রাজস্থলী উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংকের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কাজ শেষে বাংগালহালিয়া ফিরে আসার সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন তাঁকে অপহরণ করে। এদিকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় এবং বাড়িতে না ফেরায় তাঁর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা রাতে আর্মি ক্যাম্পে জানায়। এ ছাড়া নিখোঁজের ব্যাপারে চেয়ারম্যানের পরিবার চন্দ্রঘোনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরিবার সূত্রে আরও জানা জানা যায়, আদোমং চেয়ারম্যান নিখোঁজ হওয়ার পর গত ২৬ আগস্ট রাত থেকে অপহরণকারীরা বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে চেয়ারম্যানের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ চেয়ে ফোন দিতে থাকে।
কাপ্তাই সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, মুক্তিপণ চাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানার পর অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্তকরণে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয়। এদিকে অপহরণকারীরা বিভিন্ন সময়ে অপহৃত ব্যক্তিকে স্থানান্তর করতে থাকে। একপর্যায়ে মঙ্গলবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় যে, অপহরণকারীদের একটি দল ইউপি চেয়ারম্যানসহ গাইন্ধা ইউনিয়নের লংগদুপাড়া এলাকা দিয়ে যাবে। কাপ্তাই সেনা জোনের একটি দল সেখানে গোপনে অবস্থান নেয়। এ সময় সেনাবাহিনীর অবস্থান জানতে পেরে সশস্ত্র দলটি অপহৃত আদো মং চেয়ারম্যানকে হাত-পা বাধা অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়। তারপর আদোমং চেয়ারম্যানকে সেনা সদস্যরা উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সেনাবাহিনী তাকে তার পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে