
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ফেলা হয়েছে হালদা নদীর শাখা তেলপারই খালে। খালে ফেলা চামড়ায় ইতিমধ্যে পচন ধরেছে। এতে মারাত্মক দূষণের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রোসাংগিরী তেলপারই খাল সরাসরি হালদার সঙ্গে যুক্ত। কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় শত শত চামড়া এ খালে ফেলা হয়। এ কারণে পশুর চামড়া ও বর্জ্যে পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এমন অবস্থা দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে জানায়। পরে তিনি রোসাংগিরী ইউপি চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলার পর ৫-৬ জন শ্রমিক সাড়ে ৩ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে প্রায় ৬ শতাধিক পশুর গলিত চামড়া খাল থেকে তুলে মাটিতে পুঁতে রাখেন।
এ ব্যাপারে হালদা বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া জানান, পশুর চামড়া ও বর্জ্য পচে হালদার পানির সঙ্গে মিশে যাওয়ায় নদীর পানি দূষিত ও বিবর্ণ হয়ে পড়েছে। জনসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রশাসনিকভাবে এটির সুরাহা করা না গেলে হালদার পানিতে অক্সিজেন হ্রাস এবং অ্যামোনিয়া প্রডিউস হয়ে মাছ ও জীব-বৈচিত্র্য মারা যাবে।

মঞ্জুরুল কিবরিয়া আরও জানান, হালদা নদী সংযুক্ত খাল ও ছড়া কিংবা নদীতে বর্জ্য না ফেলতে বিভিন্ন পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এর পরেও বর্জ্যের সঙ্গে চামড়া ফেলা হয়েছে। যাহা অত্যন্ত দুঃখজনক।

পচন ধরা গলিত চামড়া হালদা নদীতে ফেলার খবর পেয়ে গত মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা মো. আশরাফ উদ্দিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যদের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তারা বিষয়টির সত্যতা পায় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানায়।
পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা মো. আশরাফ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, সরেজমিন পরিদর্শন করে বিষয়টির সত্যতা পেয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি মঙ্গলবার বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে একটি মামলা করেছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে