
চট্টগ্রামে বিএনপির সমাবেশের মিছিলের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে সাইদুল ইসলাম চিশতী (১৪) নামের এক কিশোর মারা গেছে। এ ছাড়া সমাবেশে ভিড়ের চাপে দুজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির সমাবেশ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
সাইদুল ইসলাম চিশতী নগরের এনায়েত বাজার এলাকার নজরুল ইসলাম বাবুর ছেলে। সে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা বাবু যুবদলের সাবেক কর্মী এবং নগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, র্যাডিসন ব্লু হোটেল থেকে মিছিল পলোগ্রাউন্ডের দিকে যাওয়ার সময় হল ২৪ কনভেনশন সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে চিশতী ভিডিও ধারণ করছিল। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যায় সে। পরে কয়েকজন তাকে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাইদুল ইসলাম চিশতীর বন্ধু বিজয় বলে, ‘হঠাৎ চিশতী মাথা ঘুরে পড়ে গেলে আমরা দ্রুত তাকে ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যাই।’ সেখানে চিকিৎসকেরা জানান, সে আর বেঁচে নেই।
এদিকে সমাবেশস্থলে অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে দুজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি চান্দগাঁও থানার উত্তর মোহরা এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে রাকিব (২৫)। অপরজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেলা ১টার দিকে পলোগ্রাউন্ড মাঠে অতিরিক্ত ভিড়ের চাপে দুজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৩৬ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে