
চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে প্রাইভেট কার আরোহী আজম সোহেল (৪০) নামে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে নগরের পতেঙ্গা থানাধীন চরপাড়া এলাকার সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আজম সোহেল ইপিজেড থানা যুবদলের সদস্যসচিব এবং বন্দরটিলা এলাকার জাহাঙ্গীর সওদাগরের ছেলে।
ঘটনার বিষয়ে রোববার পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা আহমেদ জানান, রাতে সম্ভবত তিনি (সোহেল) পতেঙ্গা সি-বিচ এলাকা থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে ফিরছিলেন। এ সময় কাঠগড় এলাকায় একটি চলন্ত লরির পেছনে ধাক্কা দেয় প্রাইভেট কারটি। এতে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে জিইসি মোড়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরে সোহেলের লাশ তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জানান তিনি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে