
চট্টগ্রাম নগরে থানার ব্যারাক থেকে মো. অহিদুর রহমান নামের পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় নগর পুলিশের চকবাজার থানার ব্যারাকের বাথরুম থেকে ওই পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অহিদুর রহমান নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার বনিদত্ত বাজার এলাকার মো. শহীদুল্লাহর ছেলে। তিনি চকবাজার থানায় কর্মরত ছিলেন।
নগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার আমিনুর রশীদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অহিদুর রহমান রাতে ডিউটি শেষ করে সকালে ব্যারাকে ফিরে আসেন। পরে সকাল সাড়ে ৮টায় ব্যারাকের বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে