
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদীর তীরে রেলিংয়ে রশি পেঁচিয়ে ঝোলানো সুমন সাহা নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর পরনের গেঞ্জিতে লেখা ছিল মৃত্যুর কারণ। তবে এটি তাঁর হাতের কি না সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আজ বুধবার শহরের পাইকপাড়া এলাকার তিতাস নদীর তীর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন সাহা (৪২) শহরের কালাশ্রীপাড়া এলাকার অশোক সাহার ছেলে।
জানা গেছে, সকালে শহরের পাইকপাড়া এলাকার তিতাস নদীর তীরের রেলিংয়ের সঙ্গে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
লাশের পরনে থাকা গেঞ্জিতে লেখা আছে, ‘আমার বাবার হক আমি পাইলাম না। আমার মেয়েরা যেন সেই হক পায়।’ তবে এই লেখা তাঁর হাতের কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, মরদেহটি নদীর তীরের রেলিংয়ের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝোলানো ছিল। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে