
বরিশালের মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামরুল আহসানের বিরুদ্ধে আসামিকে বাঁচাতে বয়স কমিয়ে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই আসামিকে জামিনের জন্য দ্বৈত জন্মনিবন্ধন দেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় দফায় দেওয়া জন্মনিবন্ধনে বয়স এক বছর দুই মাস কমিয়ে দেন।
গতকাল রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মফিজুর রহমান দুটি জন্মনিবন্ধন হাতে পাওয়ার পরে বিষয়টি জানতে পারেন।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসান দ্বৈত জন্মনিবন্ধন দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ওই ব্যক্তি তথ্য গোপন করে দ্বিতীয়বার জন্মনিবন্ধন করে থাকতে পারেন।
মামলার সূত্রে তদন্ত কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান বলেন, উপজেলার মুলাদী সদর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের জামাল সরদারের ছেলে রাকিব সরদারের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারি জনৈক মাহমুদ খান বাদী হয়ে রাকিব সরদারের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় রাকিব সরদার আসামি রয়েছেন। মামলার তদন্ত এবং প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অনুসন্ধানে গিয়ে তাঁর নামে দুটি জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া যায়।
কর্মকর্তা আরও বলেন, রাকিব সরদারের নামে ২০০৮ সালের ১ জুলাই মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধন করা হয়। ওই জন্মনিবন্ধন অনুসারে তাঁর জন্ম তারিখ ২ এপ্রিল ২০০৬। অপর দিকে ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি রাকিবের নামে ইস্যু করা জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ দেখানো হয়েছে ৭ জুন ২০০৭। দ্বিতীয় জন্মনিবন্ধনে তাঁর বয়স এক বছর দুই মাস কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। চলতি বছর ২৪ জানুয়ারি মামলা হওয়ার পরে রাকিব সরদারকে ২৫ জানুয়ারি আঠারো বছরের কম বয়সী দেখিয়ে জন্মনিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মুলাদী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘কাউকে মামলা থেকে বাঁচাতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়নি। রাকিব সরদার আগের জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্য গোপন করে নতুন নিবন্ধন করে থাকতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার নিবন্ধন করা সনদটি অনলাইনে বাতিল করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘একজন ব্যক্তির একাধিক জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া যাবে না। তথ্য গোপন করে কেউ দ্বৈত জন্মনিবন্ধন করে থাকলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধককে তা বাতিল করতে হবে। অন্যথায় ওই নিবন্ধকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে